1 Answers

"উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

স্বদেশের কাছে মানুষের ঋণের শেষ নেই। স্বদেশের মাটির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে মানুষ ধন্য হয়। যারা স্বদেশের আলো- হাওয়ায় শৈশব কাটিয়েছে তারা প্রবাসে গেলেও সেই স্মৃতি ভুলতে পারে না। চিরচেনা জন্মভূমির কথা তাদের বারে বারে মনে পড়ে।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি মোহের বশে স্বদেশ ছেড়ে ফ্রান্সে চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করেন। তাঁর এ অনুভব উদ্দীপকের কবির স্বদেশানুরাগের চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকের কবিও প্রবাসে আপন বাঁধা ঘরে ঘরের বাসনা মিটাতে পারেন না। কারণ জন্মভূমির সঙ্গে তিনি নিবিড় বন্ধনে বাঁধা পড়ে আছেন। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও কবি জন্মভূমির এ নদের সঙ্গে তাঁর গভীর বন্ধনের দিকটি তুলে ধরেছেন। শৈশব-কৈশোরে এ নদই ছিল তাঁর সখা। তাই কপোতাক্ষের জল ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনো নদ-নদীর জল কবির স্নেহের তৃষ্ণা মেটাতে পারে না। উদ্দীপকের কবিও চিরজনমের ভিটাতে ফিরে আসেন।

কবি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মাধ্যমে জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবির অনুরূপ স্বদেশপ্রীতি এবং জন্মভূমির সঙ্গে তাঁর নিবিড় বন্ধনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় স্বদেশপ্রেমের দিকটি অভিন্ন এক ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। এই দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

6 views

Related Questions