1 Answers

ফাহমিদার রন্ধন পদ্ধতি দেখে তার বোন বলেন রন্ধনকারীর রন্ধনকালীন সতর্কতা খাদ্যের পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। মাছ ও মাংসের মত প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অধিক তাপে রান্না করলে তার পুষ্টিমূল্য নষ্ট হয়ে যায়। 

মাংস মাঝারি উত্তাপে ধীরে ধীরে সিদ্ধ করে রান্না করতে হয়। মাছের তত্ত্বসমূহ নরম বলে মাংসের চেয়ে কম তাপে এবং অন্য সময়ে রান্না করতে হয়।

রন্ধনকারী যদি ফাহমিদার মত এসব বিষয়ে অবগত না থাকেন তবে সহজেই অপুষ্টিতে ভোগার সম্ভাবনা দেখা দেবে। অনেকেই আমরা ভাতে অধিক পানি ব্যবহার করি ও মাড় ফেলে ভিটামিন-বি, স্টার্চ, খনিজ লবণের অপচয় করি। ডাল সিদ্ধ করে পানি ফেলে ভিটামিন নষ্ট করি। শাকসবজি সিদ্ধ করে ফেলে দিলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। দুধ বেশি জাল দিয়ে পুষ্টিমূল্য কমিয়ে ফেলি। এছাড়া শাক, ডিম ভাজা ইত্যাদি খোলাভাবে রান্না করি ফলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। আবার বাজার থেকে কাঁচা খাবার এনে অনেকক্ষণ মাটিতে ফেলে রেখে দেই এতে খাদ্যদ্রব্য জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। মাছ কড়া ভাজা, রান্নায় বেশি পেঁয়াজ ও মসলার ব্যবহার খাবারের গুণগত মানকে নষ্ট করে। এ কারণে পুষ্টিমূল্য রক্ষা করে খাদ্য রান্না করার গুরুত্ব অপরিসীম।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ফাহমিদার বোনের মন্তব্যটি সঠিক।

5 views

Related Questions