1 Answers
সেতুর অপরিণত বয়সে বিয়ে হয়। অপরিণত বয়সে সেতু গর্ভবর্তী হয়ে পড়লে তার প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দেয়। কারণ অপরিণত বয়সের জন্য শরীর ও মন কোনোটিই সন্তান নেওয়ার উপযোগী হয় না। দারিদ্রতার কারণে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হলে তারা অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ করে বলে প্রসবকালীন জটিলতায় ভোগে।
অপরিণত বয়সে শরীর অপরিপক্ক থাকে। বস্তিদেশ ছোট থাকে, ফলে প্রসব বাধাগ্রস্ত হয়। জরায়ু ও প্রসবপথ ফেটে যায়। গর্ভপাত এবং মা ও শিশুর মৃত্যু হয়। অপরিণত বয়সে গর্ভে সন্তান এলে সন্তানের বেড়ে ওঠার মতো গর্ভে পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। অপরিণত বা কম ওজনের শিশু জন্মগ্রহণের আশঙ্কা থাকে। প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শিশু স্বাস্থ্যবান ও সফল মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে না। এসবের জন্য মাকেই দায়ী করা যায়। আবার এসকল জটিলতা সহ্য করতে না পেরে অনেক মেয়েরাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। সেতুর মতো এরকম অনেক মেয়েরাই প্রতিনিয়তই আমাদের দেশে এ ধরনের জটিলতার শিকার হচ্ছে।
এজন্য সকলের উচিত প্রাপ্ত বয়সে সন্তানকে বিয়ে দেওয়া, যাতে করে মেয়েটি শারীরিক ও মানসিকভাবে সন্তান ধারণ করতে পারে ও জন্মদানে সক্ষম থাকে।