1 Answers
উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে- মন্তব্যটি যথার্থ।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখে দাঁড়ায়। অবশেষে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে এদেশের অগণিত মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে অমিত যুদ্ধে গিয়ে শহিদ হয়। সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে এলে বৃদ্ধা মা তা দেখে শোকাকুল না হয়ে ছেলের এমন বীরোচিত মৃত্যুতে গর্ববোধ করেন এবং বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সবার ত্যাগের বিনিময়েই একদিন এদেশ স্বাধীন হবে। অমিতের মায়ের এ উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখা যায়। কারণ এ কবিতায় কবি বলেছেন এ দেশের সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের কথা, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। কবি তাই মনে করেন স্বাধীনতাকে বাঙালি এক দিন ছিনিয়ে আনবেই।
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত। সেই সঙ্গে নবীন রক্তে প্রাণস্পন্দন ও আশা জেগে থাকতে দেখে কবি দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন- যার উদ্দেশ্যে এত আত্মত্যাগ সেই স্বাধীনতাকে একদিন আসতেই হবে। উদ্দীপকের মায়ের কথায় কবির এ আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। এসব বিচারে মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।