1 Answers
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বর্ণিত দিকগুলোর একটিমাত্র দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে। মন্তব্যটি যথার্থ।
স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। সেই অধিকার অর্জন করতে হলে মানুষকে অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম করতে হয়। সংগ্রাম ছাড়া স্বাধীনতা পাওয়া যায় না । স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে দেশের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকতে হয়।
উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বর্ণিত আত্মত্যাগের দিকটি ফুটে উঠেছে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দু চাপিয়ে দেওয়াকে এদেশের আপামর জনতা মেনে নেয়নি, ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অবশেষে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টি ছাড়াও কবিতায় যুদ্ধবাজ পাকিস্তানি সেনাদের নির্মম অত্যাচার, অমানবিক নির্যাতন, বিনা কারণে রাতের আঁধারে নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ এবং ছাত্রাবাস, বস্তি, মানুষের ঘরবাড়ি সব ধ্বংস করে দেওয়া ইত্যাদি বিষয় বর্ণিত হয়েছে।
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতা অর্জনে আপামর বাঙালি নারী-পুরুষের সংগ্রামী চেতনা এবং তাদের মহান আত্মত্যাগের মহিমাকে তুলে ধরা হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর নির্মম গণহত্যা চালিয়েছে এবং তাদেরকে স্বাধীনতা অর্জনের সমস্ত স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিতে চেয়েছে। এ বিষয়টি উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। এছাড়া স্বাধীনতার জন্য অপেক্ষায় থাকার মতো কোনো বিষয়ও সেখানে নেই। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায়, কবিতায় বর্ণিত দিকগুলোর একটি দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।