1 Answers
উদ্দীপকটিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রকাশ হয়নি।- মন্তব্যটি যথার্থ।
স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। বাঙালি জাতি সেই অধিকার অর্জন করেছে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে। প্রতিবাদী বাঙালি সন্তানরা তাদের বুকে রক্ত দিয়ে সেই স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
উদ্দীপকে এক তরুণ মুক্তিযোদ্ধার সংগ্রামী মনোভাবের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সে রাইফেল কাঁধে নিয়ে যুদ্ধ করে, শত্রু দেখলে এ যোদ্ধার শরীরের রক্ত গরম হয়ে যায়। শত্রুহননের উল্লাসে মেতে ওঠে সে, যার সংগ্রাম বাংলাদেশকে এনে দেবে স্বাধীনতা। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় এমনই এক সাহসী তরুণের কথা বলা হয়েছে। সে রাইফেল কাঁধে শত্রুহননের লক্ষ্যে বন- জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। সেই নবীন রক্তে প্রাণস্পন্দন ও আশা জেগে থাকতে দেখে কবি মনে করেন যে একদিন স্বাধীনতা আসবেই। এ বিষয়টিই আলোচ্য কবিতার একমাত্র বিষয় নয়। এটি ছাড়াও কবিতায় পাকিস্তানি বাহিনীর অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন, যুদ্ধের ভয়াবহতা, ধ্বংস, সাধারণ মানুষের অবদান, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ পেয়েছে।
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধের ভয়াবহতা, পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসলীলা, অন্যায়, অত্যাচার ইত্যাদির প্রকাশ ঘটেছে। অন্যদিকে উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার একটি বিষয়ের প্রকাশ ঘটেছে মাত্র। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।