1 Answers

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'মানুষ' কবিতার সমগ্র ভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। 

স্রষ্টার কাছে পৃথিবীর সব মানুষ সমান। মানুষের মধ্যে জাত-ধর্ম-বর্ণের যে পার্থক্য দেখা যায় তা মানুষের তৈরি। সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষ সমান মর্যাদার অধিকারী। যারা এ সত্যকে অস্বীকার করে তারা স্বার্থপর, অমানবিক। যাঁরা মানুষ হিসেবে মানুষকে মর্যাদা দেয়, মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করে তাঁরা মহামানব।

'মানুষ' কবিতায় সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষ এক ও অভিন্ন জাতি এই সত্যটি প্রতিফলিত হয়েছে। কবির মতে পৃথিবীতে মানুষ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কিছু নেই। দেশ-কাল, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোত্র এ সবকিছুই মানুষের তুলনায় অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবীতে যত মানুষ আছে তারা সবাই এক জাতি। 'মানুষ' কবিতার এই ভাব উদ্দীপকে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। কারণ এখানে আত্মপর ভেদহীনতার বিষয়টি মানুষে মানুষে বৈষম্যহীনতাকে নির্দেশ করেছে মাত্র। ধর্মব্যবসায়ীদের হীন কর্মকাণ্ডকে নির্দেশ করেনি। তাদের অমানবিক আচরণের দিকটিও উদ্দীপকে নেই।

'মানুষ' কবিতায় ধর্মের দোহাই দিয়ে মসজিদ ও মন্দিরে যারা আধিপত্য বিস্তার করে তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। মানুষকে তারা মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করে না। উদ্দীপকে এই দিকটি ফুটে ওঠেনি। সেখানে 'মানুষ' কবিতার সাম্যবাদের চেতনাটিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাংশে 'মানুষ' কবিতার সমগ্র ভাবকে পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না।

5 views

Related Questions