1 Answers

"উদ্দীপকের উল্লিখিত ভাবটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের ধারক হতে পারেনি।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করে। অন্ন-বস্ত্র সংস্থানের জন্য অনেকে নৈতিকতাও বিসর্জন দিতে কুণ্ঠিত হয় না। ফলে মনুষ্যত্বলোকের সন্ধান তারা কোনোদিনই পায় না।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে মানুষের পক্ষে অন্নের দরকার রয়েছে। সর্বজনীন শিক্ষা দেশের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করতে গিয়ে সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। তাকে টাকার থলি তৈরির মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই দিকটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে প্রকাশিত অন্ন- বস্ত্রের চিন্তায় শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়ার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এটি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে অন্যান্য বিষয় আলোচিত হয়েছে যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার দুটি দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। মানবজীবনকে দোতলা ঘরের সঙ্গে তুলনা করে লেখক সেখানে শিক্ষার প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তার মতে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হলো মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধ সৃষ্টি করা। তা না হলে মানবজীবনে সোনা ফলবে না, কখনো মুক্তি আসবে না। শিক্ষা লাভের মাধ্যমে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটাতে পারলেই অন্ন-বস্ত্র সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। প্রবন্ধের এসব দিক উদ্দীপকে অনুপস্থিত। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions