1 Answers

উদ্দীপক কবিতাংশে 'পল্লিজননী' কবিতার এক পল্লিমায়ের পুত্র হারানোর শঙ্কার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষ মা-বাবার কাছে চির ঋণী। 

জন্মের পর থেকে মানবশিশুর বেড়ে ওঠার পেছনে মা-বাবার ভূমিকাই মুখ্য। তারা আদর-যত্ন, স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে প্রিয় সন্তানকে ধীরে ধীরে বড় করে তোলেন। সন্তানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য তারা নিজেদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে তুচ্ছজ্ঞান করে আনন্দ পান। 

উদ্দীপকে পুত্র হুমায়ুনের মৃত্যুর আশঙ্কা করে পিতা বাবরের উদ্বিগ্ন হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। হুমায়ুনের অসুস্থতায় বাবর অস্থিরচিত্ত। তাঁর চোখে ঘুম নেই। রাত জেগে পুত্রের রোগমুক্তি প্রত্যাশা করেন তিনি। মাঝে মাঝে অন্ধকার রাতকে পুত্রের মরণ সংকেত বলে মনে হয় তার কাছে। এ বিষয়টি 'পল্লিজননী' কবিতার পল্লিজননীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় পল্লিজননীও তার রুগ্ম ছেলের শিয়রে বসে রাত জাগছে এবং পুত্রের মৃত্যুর আশঙ্কায় তার বুক কেঁপে কেঁপে উঠছে। অন্ধকার রাতে হুতুমের ডাককে তার কাছে অকল্যাণ সুর বলে মনে হয়েছে।

5 views

Related Questions