1 Answers

উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

স্বদেশের মাটির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। তাই ইচ্ছা করলেও কেউ তা ছেড়ে যেতে পারে না। পৃথিবীর সবকিছু অপেক্ষা জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ়। সেই বন্ধন ছিন্ন করে কেউ বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবির সঙ্গে তাঁর স্বদেশের গভীর বন্ধনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। 

এখানে কবি বলেছেন যে, তিনি ইচ্ছা করলেও তাঁর চিরচেনা পথ-ঘাট, নদী, গাছপালা, ফুলের শোভা ইত্যাদি ছেড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারেন না। কারণ এসবের সঙ্গে তাঁর যে দৃঢ় বন্ধন তা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়। স্বদেশের প্রতি উদ্দীপকের কবির এই অনুরাগ ও ভালোবাসা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির স্বদেশানুরাগের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কবিতায় কবি তাঁর শৈশবের আনন্দ-বেদনার সঙ্গে মিশে থাকা কপোতাক্ষ নদের কথা বলেছেন। এই নদের কথা মনে করে তিনি স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন। তাঁর কাছে মনে হয়েছে এই নদের জলেই তাঁর তৃষ্ণা মিটেছে। কপোতাক্ষের জল তাঁর কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো। এই স্মৃতিকাতরতার আড়ালে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকেও গভীর দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। এভাবে উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশের প্রতি অনুরাগ ও ভালোবাসার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

4 views

Related Questions