1 Answers

উদ্দীপকে 'পল্লিজননী' কবিতার সন্তানের প্রতি পল্লিজননীর গভীর স্নেহ-মমতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা অকৃত্রিম। মা তার সন্তানকে সুখে রাখতে নিজের সুখের কথা ভুলে যায়। মা তাঁর সন্তানের জন্য নিজের জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করতে পারে।

উদ্দীপকে সন্তানের জন্য মায়ের গভীর স্নেহ-মমতা প্রকাশ পেয়েছে। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে মা মায়মুনা পাগলপ্রায়। সন্তানের কবরে সে লুটিয়ে পড়ে কাঁদে। কপালে কবরের মাটি ঘষে, মাতম করে। দুনিয়া বড় কষ্টের জায়গা বলে আল্লাহ তাকে সন্তান দিয়ে আবার নিয়ে নিয়েছেন ভেবে মায়মুনা সান্ত্বনা খোঁজে। সে চায় তার কলিজার টুকরা সন্তান কবরে শান্তিতে ঘুমিয়ে থাক। উদ্দীপকের এই মাতৃস্নেহ 'পল্লিজননী' কবিতার সন্তানের প্রতি পল্লিজননীর গভীর স্নেহ-মমতাকে নির্দেশ করে। এ কবিতায় মা তার সমস্ত শক্তি, স্নেহ-মমতা, সেবা দিয়ে একমাত্র পুত্রকে সুস্থ করে তুলতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। মসজিদে মোমবাতি মানে, দরগায় দান মানে, রুগ্ম ছেলের শিয়রে বসে মা সারা রাত জেগে থাকে। সন্তানের নানা আবদার রক্ষা করতে না পারার কথা স্মরণ করে আবেগে আপ্লুত হয়।

6 views

Related Questions