1 Answers
"উদ্দীপকের মজিদের কর্মটির সমাধান ও 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার সমস্যার সমাধান ছিল সাধারণ মানুষের অসাধারণ বুদ্ধির"- উক্তিটির সঙ্গে একমত পোষণ করছি।
আমাদের সমাজে যারা উপেক্ষিত তারাই সভ্যতার প্রকৃত কারিগর। তাদের শ্রম ও কর্মদক্ষতার জন্য সমাজ-সংসার সচল রয়েছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই তারা অবহেলিত হয়।
উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, কৃষি কর্মকর্তা মোতালেব সাহেব তাঁর সহকারী মজিদের কাছে ফসলের খেত থেকে টিয়ে পাখি তাড়ানোর জন্য দু-একদিনের মধ্যে এর উপায় জানতে চান, তা না হলে মজিদের পদোন্নতি হবে না। এ সময় মজিদ ভীত হয়ে পড়লেও অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে একটা চমৎকার পদ্ধতি চালু করে। সেই অনুযায়ী ফসলের খেত সে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়। একইভাবে আমরা 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতায় দেখতে পাই, রাজা হবু মন্ত্রী গোবুকে পায়ে যেন ধুলা না লাগে এমন একটা ব্যবস্থা করতে বলেন। কিন্তু মন্ত্রী, সভাসদ, পণ্ডিত কেউ সমস্যার সমাধান করতে পারেন না; উপরন্তু ধুলার বদলে তারা পানি দিয়ে সব কাদা বানিয়ে ফেলেন। এমন সময় রাজ্যের এক সাধারণ মুচি এসে এক চমৎকার বুদ্ধি দেয়। সে চামড়া দিয়ে রাজার পা ঢেকে দেয়। এর ফলে রাজার ধুলা সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যায়।
উদ্দীপকের মজিদের কর্মটির সমাধান ও 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার সমস্যার সমাধান ছিল সাধারণ মানুষের অসাধারণ বুদ্ধির সফল প্রয়েগ। কারণ উদ্দীপকের মজিদ এবং কবিতার চামার কুলপতি অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে সমস্যার সমাধান করেছেন। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।