1 Answers

"উদ্দীপকটি 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করে না।" মন্তব্যটি সত্য। 

ভাষার মধ্যে প্রবাদবাক্য থাকলে ভাষা বৈচিত্র্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রবাদবাক্য প্রাচীন যুগ থেকে জনসাধারণের প্রচলিত বাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রবাদবাক্যের বিশেষত্ব হচ্ছে- পুরনো হলেও প্রবাদবাক্যের রসহানি ঘটে না।

উদ্দীপকে উদ্ধৃত হয়েছে বাংলা পল্লিসাহিত্য সম্পদের একটি অংশ প্রবাদবাক্য। প্রবাদবাক্যে অনেক নীতিকথা, সত্যকথা ও উপদেশবাক্য লুকিয়ে থাকে। প্রবাদবাক্যগুলো সংক্ষিপ্ত হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনেক গভীর, যা উদ্দীপকের প্রবাদবাক্যগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারি। অন্যদিকে, 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লির বিরাট সাহিত্য সম্পদের সুবিস্তৃত বর্ণনা ফুটিয়ে তুলেছেন। যেমন- উপকথা, প্রবাদবাক্য, ডাক ও খনার বচন, ছড়া, ঘুমপাড়ানি গান, খেলাধুলার সঙ্গে বাঁধা বুলি বা গৎ, পল্লির জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মারফতি গান ছাড়াও শহুরে সাহিত্য এবং অন্যান্য দিকের আলোচনা করেছেন।

উদ্দীপকে শুধু তিনটি প্রবাদবাক্য উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে পল্লির প্রাচীন সাহিত্য সম্পদের সম্পূর্ণ বর্ণনা প্রতিফলিত হয়েছে। এই কারণে প্রশ্নোক্ত বাক্যে বলা হয়েছে যে, "উদ্দীপকটি 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করে না।"

5 views

Related Questions