1 Answers

"উদ্দীপকে প্রতিফলিত অনুভূতির অন্তরালে যে ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে তাই 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাব।"- কথাটির সত্যতা আছে।

জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। প্রয়োজনের তাগিদে অথবা অন্য কোনো কারণে দেশের মাটি ছেড়ে দূরে চলে গেলেও মানুষের অন্তরজুড়ে থাকে জন্মভূমির প্রতি গভীর অনুরাগ, আবেগ, ভালোবাসা, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হয় না। কারণ স্বদেশের মাটির কাছে মানুষের ঋণের শেষ নেই।

উদ্দীপকে এক প্রবাসী বাঙালির স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে প্রবাসজীবনে স্বদেশের অতি সাধারণ ঘটনা কীভাবে তার স্মৃতিতে অসাধারণ হয়ে ভেসে উঠেছে সেই বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। উদ্দীপকের প্রবাসী বাঙালির এই আবেগ-অনুভূতি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির স্বদেশানুরাগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাঁরা দুজনই তাঁদের শৈশব-কৈশোরের কথা ভেবে অস্থির হয়েছেন। প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরে আসার ব্যাকুলতা এবং স্মৃতিকাতরতার দিক থেকে তাঁরা দুজনই একে অন্যের প্রতিচ্ছবি। উদ্দীপকে প্রবাসী বাঙালির অনুভূতির অন্তরালে যে ভাব প্রকাশ পেয়েছে তা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রতিফলিত কবির ভাবের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির মনে ভিড় করা শৈশবের নানা স্মৃতি প্রতিফলিত হয়েছে। প্রবাসজীবনে বারবার কবির মনে পড়েছে শৈশব-কৈশোরের সঙ্গী কপোতাক্ষ নদের কথা। এই নদের সৌন্দর্য অনুভব করে এ জলেই তাঁর স্নেহের তৃষ্ণা মিটেছে। এই নদের জল কবির কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো। উদ্দীপকের প্রবাসী ব্যক্তিরও তেমনই স্বদেশের স্মৃতিময় ঘটনাগুলো অন্য যেকোনো ঘটনা থেকে অনেক বেশি মূল্যবান।

50 views Answered

Related Questions

Next steps