1 Answers

(ii) নং উদ্দীপকের মূলভাবে 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

মনোবলহীন দুর্বলরাই জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু যারা জীবনকে একটি যুদ্ধক্ষেত্র মনে করে ব্যর্থতা ও সফলতাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যায় পৃথিবী তাদেরই জয়গান করে। কাজেই হতাশ না হয়ে জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে হলে মানুষকে কাজ করতে হয়। মহামূল্যবান জীবনকে সার্থক করে তুলতে কাজের কোনো বিকল্প নেই।

(ii) নং উদ্দীপকে মহামূল্যবান জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং তা উন্নত ও সাফল্যমণ্ডিত করার কথা বলা হয়েছে। এখানে মানবজন্মকে বহু ভাগ্যের ফল হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে। মানুষের দেহ নামের তরিকে না ডুবিয়ে তা সফলভাবে বেয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে জীবনের প্রতি যত্নবান হতে এবং জীবনকে সার্থক করার যে কথা বলা হয়েছে তা 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার কবির প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিও মহামূল্যবান জীবনকে হতাশায় না মুড়িয়ে তা উপভোগ করার কথা বলেছেন। কারণ মানবজন্ম একবারই। এ জীবন হারানোর পরে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। শুধু হতাশায় জীবনকে মুড়িয়ে রাখলে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।

'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি ক্ষণস্থায়ী মানবজীবনের কিছু ব্যর্থতা ও সীমাবদ্ধতার কথা বলেছেন। জীবনকে বিষাদগ্রস্ত না করে কর্মের মাধ্যমে প্রবহমান রাখার যে কথা কবি এ কবিতায় বলেছেন তা এ উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। কবি জীবনকে মহামূল্য বলে অভিহিত করে তার যত্ন করতে বলেছেন। এই বিষয়টি আলোচ্য উদ্দীপকেও নির্দেশিত হয়েছে। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions