1 Answers

উদ্দীপকে নাসিমের পর্যবেক্ষণের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের ঋতু পরিবর্তন ধারণাটির মিল আছে।

বার্ষিক গতির জন্য সূর্যরশ্মি কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তির্যকভাবে পতিত হয় এবং দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। লম্বভাবে পতিত সূর্যরশ্মি কম বায়ুস্তর ভেদ করে আসে বলে ভূপৃষ্ঠকে অধিক উত্তপ্ত করে। তির্যকভাবে পতিত সূর্যরশ্মি যে কেবল অধিক বায়ুস্তর ভেদ করে আসে তা নয়, এটি লম্বভাবে পতিত সূর্যরশ্মি অপেক্ষা অধিক স্থানব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র তাপের তারতম্য হয় এবং ঋতু পরিবর্তন ঘটে। পৃথিবীতে সময়ভেদে তাপমাত্রার পার্থক্য বা পরিবর্তনকে ঋতু পরিবর্তন বলে। সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর চারটি অবস্থান থেকে ঋতু পরিবর্তনের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। উদ্দীপকে মিতুলের দেশের অবস্থান উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় তার দেশে জুন মাসে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে এবং একই সময় তার বন্ধুর দেশ দক্ষিণ গোলার্ধে হওয়ায় শীতকাল বিরাজ করে। মূলত ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষদিন। এ দিন সূর্যরশ্মি কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে পতিত হয়। ফলে ঐদিন এখানে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত্রি হয়। ২১ জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে উত্তাপ বেশি থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। এ সময়ে সূর্যের তির্যক কিরণের জন্য দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়। এজন্য সেখানে তখন শীতকাল।

পরিশেষে তাই বলা যায়, নাসিমের মন্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions