1 Answers

প্রতারণা সম্পর্কে উদ্দীপকে উল্লিখিত হাদিসটি হলো- “যে প্রতারণা করে, সে আমাদের (মুসলমানদের) সমাজভুক্ত নয়।”

আমরা জানি, প্রতারণা ইসলামের দৃষ্টিতে মানবতাবিরোধী অতি গর্হিত কাজ। প্রতারণা মিথ্যারই শামিল। মিথ্যা যেমন ঘৃণ্য, প্রতারণাও তেমনি ঘৃণ্য। এটি একটি সমাজদ্রোহী পাপ। এ কারণেই মহানবি (স.) প্রতারণা সম্পর্কে উদ্দীপকের হাদিসটির অবতারণা করেছেন। ইসলাম সুস্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছে, জীবনে যা কিছু করবে তার মধ্যে ফাঁকি ও প্রতারণার স্থান নেই। ইসলাম সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রণকে কোনোমতেই সমর্থন করে না। কুরআন মজিদে ঘোষণা করা হয়েছে-

وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ 

অর্থ : "তোমরা সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রণ করো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন করো না।" (সূরা আল-বাকারা : ৪২) পণ্যের দোষ গোপন করা সম্বন্ধে রাসুল (স.)-এর উক্তি হচ্ছে, "যে দোষযুক্ত পণ্য বিক্রি করে এবং ক্রেতাকে দোষের কথা জানায় না, এমন ব্যক্তি সর্বদা আল্লাহর নিকট ঘৃণিত। ফেরেশতারা সর্বদা তাকে অভিশাপ দিতে থাকবে।” ক্রেতা দেখেশুনে কিনেছে আমার কী দোষ, এমন কথায় সে পরিত্রাণ পাবে না। কারণ পরিষ্কার ভাষায় পণ্যের দোষত্রুটি জানিয়ে দেওয়া বিক্রেতার কর্তব্য ছিল। সে পণ্যের দোষ গোপন করে আল্লাহ পাকের অবিরাম দোষ এবং ফেরেশতাদের অবিরাম লা'নত কুড়িয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রতারণা দ্বারা অর্জিত জীবিকা হারাম। আর যে দেহ হারাম রুজি দ্বারা পরিপুষ্ট তার স্থান জাহান্নামে।

5 views

Related Questions