1 Answers
সাইকার বড় হওয়া সম্পর্কে তার মা কীভাবে জানেন এ সম্পর্কে মাইশা জানতে চায়।
বয়স অনুসারে শিশুর দৈহিক অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনের ধারা পূর্বনির্ধারিত নমুনাকে অনুসরণ করে। গর্ভাবস্থায় এবং ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুর বিকাশধারা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে পরিণতি লাভ করে। যেমন- প্রত্যেক শিশুই নির্ধারিত বয়সে হামাগুড়ি দেয়, বসে, দাঁড়ায় ও হাঁটতে শেখে।
উদ্দীপকে মাইশার মা মাইশাকে বলেন সে এক সময় সাইকার মতো ছোট ছিল। আস্তে আস্তে সে বড় হয়েছে। প্রথমে সে উপুড় হয়েছে, তারপর হামাগুড়ি দিতে শিখেছে। ধীরে ধীরে বসা ও হাঁটা শিখেছে। অর্থাৎ বিকাশের ধারা অনুসরণ করেই সে বড় হয়েছে। অনুরূপভাবে তার ছোট বোন সাইকাও তার মতো ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করবে।
এক্ষেত্রে মাইশার বক্তব্যটি হচ্ছে সাইকা তার মতো বড় হবে এটা কীভাবে বোঝা যায়। এটি বোঝা যায় বিকাশের নমুনা দেখে। কারণ বিকাশের নমুনা আগে থেকেই অনুমান করা যায়। সকল শিশু মায়ের গর্ভে বিকাশ লাভ করার পর জন্মগ্রহণ করে। জন্মের পর বিকাশের ক্ষেত্রে শিশু প্রথমে উপুড় হয়, হামাগুড়ি দেয়, তারপর বসতে শেখে এরপর দাঁড়াতে ও হাঁটতে শেখে। সুস্থ শিশুর বিকাশের ক্ষেত্রে কোনো অবস্থায় এর ব্যতিক্রম ঘটে না। তাই মাইশার মা তাকে দেখে তার ছোট বোনের বিকাশের ধারা সম্পর্কে অনুমান করতে পেরেছেন।
পরিবেশে বলা যায়, বিকাশের নমুনার সাদৃশ্যতা বিদ্যমান। তাই শিশুর বিকাশের ধারা পূর্বেই অনুমান করা যায়।