1 Answers
প্রসবকালীন সমস্যা ছাড়াও জন্ম পরবর্তী নানা বিষয় শিশুর সুষ্ঠু বিকাশকে ব্যাহত করে।
নবজাতকের জন্ম পরবর্তী অভিযোজন ও সুষ্ঠু বিকাশের ওপর প্রসবকালীন প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ের নানা জটিলতা শিশুর বিকাশকে ব্যাহত করে। এছাড়াও জন্মের পর শিশুর প্রতি মা-বাবার মনোভাব এবং পরিচর্যার ধরন শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
দৃশ্যকল্প-২ এ মিসেস রিতা মনে করেন, প্রসবকালীন বিভিন্ন সমস্যার কারণে তার ছেলেটি ঠিকমতো কথা বলতে পারে না, কারো সাথে মিশতে পারে না। তাই তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক বলেন, শিশুটি সুস্থ। কিন্তু তার সুষ্ঠু বিকাশে প্রসবকালীন সমস্যা ছাড়াও অন্যান্য প্রভাব বিদ্যমান। যেমন- সদ্যোজাত শিশুর ওপর মা-বাবার মনোভাব শিশুর বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে মিসেস রিতার যদি সন্তান পালনের অভিজ্ঞতা না থাকে, সেক্ষেত্রে তার আত্মবিশ্বাস কম থাকবে। যার কারণে তিনি সঠিকভাবে তার সদ্যোজাত শিশুকে পরিচর্যা করতে পারবে না। এর ফলে তার শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ হবে না। এছাড়া প্রসবকালীন সময়ে মিসেস রিতা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ফলে তার সুস্থ হতে সময় বেশি লেগেছিল। যার কারণে তিনি তার সন্তানের সঠিক পরিচর্যা করতে পারেন নি। আবার সন্তানের যত্নের জন্য অধিক শ্রম, অর্থ ও সময় ব্যয়ের কারণে বাবা-মা যদি সন্তানের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করে সেক্ষেত্রে সন্তানের সুষ্ঠু বিকাশ ব্যাহত হবে। এরূপ কারণেও মিসেস রিতার ছেলের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।
তাই বলা যায়, শুধুমাত্র প্রসবকালীন জটিলতা নয়, প্রসব পরবর্তী নানা কারণে মিসেস রিতার ছেলের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।