1 Answers

রাতকানা হলো ভিটামিন 'এ' এর অভাবজনিত রোগ। 

রাতকানা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অল্প আলোতে দেখতে সমস্যা হয়। তারা দিনের বেলা দেখতে পেলেও রাতের বেলা দেখতে পায় না। রাতকানা রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে আমার মতামত বিশ্লেষণ করা হলো-

গর্ভবর্তী মাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'এ' যুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে। যেমন- কলিজা, মাখন, ঘি, মাছের তেল, সবুজ হলুদ রঙের শাকসবজি, 'ফলমূল ইত্যাদি। জন্মের পর শিশুকে অবশ্যই মায়ের বুকের শালদুধ দিতে হবে। এছাড়া শিশুকে ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর ৬ মাস বয়সের পর বাড়তি খাবারে ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ উপাদান রাখতে হবে। শিশুর খাদ্য অবশ্যই তেল দিয়ে রান্না করতে হবে। কেননা ভিটামিন 'এ' শোষণের জন্য তেল আবশ্যক। প্রতিদিনের আহারে পরিবারের সকলের জন্য ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। অন্ধত্ব নিবারণের জন্য শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে ১,০০ আই, ইউ ক্যাপসুল প্রতি ৬ মাস অন্তর ৫ বছর পর্যন্ত দিতে হবে। শাকসবজির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। হাঁস-মুরগি ও গরু ছাগল পালন করে ডিম, মাংস এবং দুধের যোগান বাড়াতে হবে। মা এবং পরিবারের সদস্যদেরকে শিশুর উপযোগী ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাদ্য তৈরির শিক্ষা দিতে হবে। গণমাধ্যমগুলোতে ভিটামিন এ এর অভাবজনিত কুফল ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা সম্বন্ধে ব্যাপকভাবে প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, উপরিউক্ত পদক্ষেসমূহের যথাযথ প্রয়োগ রাতকানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

5 views

Related Questions