উদ্দীপকটি 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কোন বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)
1 Answers
উদ্দীপকটি 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের 'কবিতা' বিষয়টির আলোচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সাহিত্যে মানবজীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা প্রতিফলিত হয়। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে সেগুলো মানবজীবনের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সমন্বয়েই গড়ে উঠেছে। সময়ের পরিবর্তন ধারায় সাহিত্য তার আপন মহিমায় মানুষের জীবন ও জীবন সম্পর্কিত নানা ঘটনাপ্রবাহকে অঙ্গীভূত করে আত্মপ্রকাশ করেছে। 'কবিতা' সাহিত্যের অন্যতম একটি শাখা।
উদ্দীপকে কবিতা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে কবিতার বৈশিষ্ট্য, কবির সার্থকতা এবং সাহিত্যতত্ত্বের মূল বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে। কবিতায় জীবনরস ও কৃত্রিম ভাবধারার মধ্যে পার্থক্য এবং সৎ-কবিতার বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করা হয়েছে। যুগের অভিজ্ঞতা এবং মাটি, মানুষ ও পরিবেশকে সাহিত্য যে অস্বীকার করে না সেই দিকটিও উদ্দীপকে স্থান পেয়েছে। উদ্দীপকে কবিতা সম্পর্কে এসব আলোচনা 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কবিতা নিয়ে আলোচনাকে নির্দেশ করে। প্রাবন্ধিকের মতে ছন্দোবদ্ধ ভাষায় গদ্যে যা লিখিত হয় তাকেই 'কবিতা' বলা হয়। কবিতার প্রধান দুটি রূপভেদ হচ্ছে- মহাকাব্য ও গীতিকবিতা। মহাকাব্যের মূল লক্ষ্য গল্প বলা, আকার-আকৃতিতে বড় এবং তা পদ্যে লিখিত। আর গীতিকবিতা সংক্ষিপ্ত আকারের কবিতা, এর উদ্দেশ্য বক্তার ভাবোচ্ছ্বাসের পরিস্ফুটন। ক্ষেত্রবিশেষে গীতিকবিতা দীর্ঘও হতে পারে। এতে কবির মনের পূর্ণ অভিব্যক্তি প্রকাশিত হয়ে থাকে। প্রবন্ধের আলোচনায় কবিতা সম্পর্কে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যা উদ্দীপকের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।