1 Answers

উদ্দীপকে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের সাহিত্যের সর্বকনিষ্ঠ শাখা ছোটগল্পের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

সাহিত্যে মানুষের সামগ্রিক জীবন প্রতিফলিত হয়। সাহিত্যে মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, প্রেম-ভালোবাসা, যুদ্ধ- বিগ্রহ, জয়-পরাজয়, বীরত্ব-ভীরুতা সবকিছুই স্থান লাভ করে। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মানুষের জীবনধারণ, ইতিহাস, ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সেগুলো গড়ে উঠেছে।

উদ্দীপকে বাংলা শিক্ষক সাহিত্যের যে নবীন শাখা নিয়ে কথা বলেছেন তা বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধে বর্ণিত ছোটগল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এর কারণ প্রবন্ধে বর্ণিত ছোটগল্পের যে বৈশিষ্ট্য তা 'সকল বাহুল্য বর্জন' কথার মূলভাবের সঙ্গে মিলে যায়। উদ্দীপকে আলংকারিক এটিকে ফুলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। যে ফুলে কাঁটা ও পাতা নেই অর্থাৎ নিটোল একটি বিষয়কে নির্দেশ করা হয়েছে। অন্যদিকে আলোচ্য প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে যেখানে তিনি ছোটগল্পকে সহজ, সরল, ছোট প্রাণ, ছোট ব্যথার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি জীবনসাগরের অজস্র ঢেউয়ের মধ্যে দু-একটা অশ্রুফোঁটার সঙ্গে ছোটগল্পের তুলনা করেছেন। যেখানে কোনো তত্ত্বউপদেশ থাকবে না। শেষ হলেও মনে অতৃপ্তি থেকে যাবে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের সাহিত্যের সর্বকনিষ্ঠ শাখার প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

4 views

Related Questions