1 Answers
উদ্দীপকের বক্তব্যে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' রচনার সাহিত্যের কবিতা শাখার অন্যতম অংশ মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
মহাকাব্য বলতে বীরত্বব্যঞ্জক উপাখ্যানকে বোঝায়। এটি বীররসপ্রধান। এর ভাষা প্রসাদগুণসম্পন্ন, ওজস্বী ও অনুপ্রাস, উপমা প্রভৃতি অলংকারবহুল। বাংলা ভাষায় মহাকাব্যের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' (১৮৬১)।
উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ শাখার অভ্যন্তরীণ গঠনকৌশল, ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। এ বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাহিত্য শাখাটির নাম মহাকাব্য। মহাকাব্যের উৎস একটি আখ্যানের কোনো একটি গল্প বা ঘটনা। যার সীমাবদ্ধতা আছে। যাতে নায়কের বীরত্ব প্রকাশ পাবে এবং কাহিনির উত্থান-পতন থাকবে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্যে'ও উদ্দীপকের এ বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান। মহাকাব্যে আদি, মধ্য ও অন্ত সংবলিত বর্ণনা স্থান পায়। এ বিষয়টিও উদ্দীপকে ইঙ্গিতে প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের মতো 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র নায়কও বীর, প্রভাবশালী ও আপসহীন দৃঢ়চেতা। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' রচনার কবিতা অংশের মহাকাব্য সম্পর্কে আলোচনার সম্পৃক্ততা আছে।