1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত দিকটিই সাহিত্যের একমাত্র দিক নয়, বরং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত।- মন্তব্যটি যথার্থ। 

সাহিত্যে মানুষের সামগ্রিক জীবন প্রতিফলিত হয়। সাহিত্য মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, প্রেম-ভালোবাসা, বিষাদ- বিরহ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, জয়-পরাজয়, বীরত্ব-ভীরুতা সবকিছুকেই ধারণ করে। এ যেন সমুদ্র, সব ধরনের জলধারা বেয়ে জলের শেষ আশ্রয়।

উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা মহাকাব্যের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। যা আলোচ্য 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের একটি শাখাকে নির্দেশ করেছে। এছাড়াও এ প্রবন্ধে কবিতা, নাটক, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং এসবের উপশাখা বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেগুলোতে বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধির নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত শাখাটির চেয়ে সেগুলো আরও অনেক সমৃদ্ধ।

'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধে লেখক কবিতা, গীতিকবিতা, মহাকাব্য, নাটক, নাটকের শ্রেণিবিভাগ, নাটকের প্রধান প্রধান বিষয়, ছোটগল্প, ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্য, শ্রেণিবিভাগ, উপন্যাস, বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের পরিচয়, প্রবন্ধ, প্রবন্ধের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, শ্রেণিবিভাগ ইত্যাদি তুলে ধরেছেন। এগুলোর মধ্য থেকে একটিমাত্র বিষয় মহাকাব্য সম্পর্কেই উদ্দীপকে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। গীতিকবিতার আদি নিদর্শন বৈষ্ণব কবিতাবলি, বিশ্বসাহিত্যে নাটকের প্রাচীনত্ব, নাটককে দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য বলে অভিহিতকরণ, সাহিত্যের সর্বকনিষ্ঠ শাখা ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথের কৃতিত্ব ও অবদান, সর্বাধিক জনপ্রিয় সাহিত্য মাধ্যম উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় আখ্যান, প্রবন্ধের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, তন্ময় ও মন্ময় প্রবন্ধের ধরন ও উদ্দেশ্য প্রভৃতি 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধে স্থান পেয়েছে। এ কারণেই বলা হয়েছে, উদ্দীপকে বর্ণিত দিকটিই সাহিত্যের একমাত্র দিক নয়, বরং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত।

5 views

Related Questions