1 Answers
"উদ্দীপকে 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের একটি বিশেষ দিক আলোচিত হলেও তাতে লেখকের মনের পূর্ণ অভিব্যক্তি প্রকাশিত হয়নি"- মন্তব্যটি যথার্থ।
পল্লিসাহিত্য আমাদের দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। এক সময় আমাদের দেশের পল্লিসাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য পল্লিসাহিত্যের বিচিত্র সম্পদসমূহ সংগ্রহ করা একান্ত প্রয়োজন।
উদ্দীপকে পল্লিসাহিত্যের অন্যতম প্রধান সম্পদ লোককাহিনির বর্ণনা করা রয়েছে। লোককাহিনিগুলো এ দেশের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে আছে। লোককাহিনিগুলো গ্রামের মানুষের মুখে মুখে আবির্তত হয়েছে যুগের পর যুগ। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধেও আমাদের গ্রামের মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত উপকথাসমূহের বর্ণনা রয়েছে। এসব উপকথার মধ্য দিয়ে এ দেশের অতীত ঐতিহ্য প্রকাশ পায়। এছাড়াও প্রবন্ধে বাংলার পাড়াগাঁয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপকরণের কথা বলা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মৈমনসিংহ গীতিকার কথা, প্রবাদ বাক্য, পল্লিগান, Folklore Society-এর কথা। সেই সাথে পল্লিসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের গুরুত্বও প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে।
উদ্দীপকে লোককাহিনির পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। যা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের একটি বিশেষ দিক নির্দেশ করে। প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপকরণ বর্ণনার পাশাপাশি তা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কথা বলেছেন। লেখকের মনের অভিব্যক্তিতে পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব অনুধাবন করে তা যত্নের সঙ্গে আহরণের একান্ত প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।