1 Answers

রহমানের বক্তব্যটি মূলত তাকওয়া সম্পর্কিত। আর নৈতিক জীবনে তাকওয়ার প্রভাব অপরিসীম।

আল্লাহ তায়ালার ভয়ে যাবতীয় অন্যায়, অত্যাচার ও পাপকাজ থেকে বিরত থাকাকে তাকওয়া বলা হয়। তাকওয়া মানুষকে। মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিকে উদ্বুদ্ধ করে। এটি অন্যায় ও অনৈতিক কাজ থেকে দূরে রাখে। অন্যায়, অশ্লীল ও পাপকাজ থেকে তাকওয়া মানুষকে বিরত রাখে। এছাড়া তাকওয়া মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং সচ্চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তোলে। মহান আল্লাহ তাকওয়াবানদের জন্য পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হওয়ার ভয় করবে ও কুপ্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকবে, তার স্থান হবে জান্নাতে।” (সূরা আন-নাযিআত : ৪০-৪১) প্রকৃত সফলতা পাবে তাকওয়াবানরা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয় মুত্তাকিগণের জন্য রয়েছে সফলতা।” (সূরা আন-নাবা : ৩১)

উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, মেধাবী ছাত্র রহমান বলে, এমন কিছু গুণাবলি রয়েছে, যার মাধ্যমে সকল পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। যাকে সকল গুণের মূল বলা হয় এবং পরকালে এ গুণের অধিকারীর জন্য মহাপুরস্কার রয়েছে। রহমান যে গুণটির বর্ণনা দিয়েছে, সেটি হলো আখলাকে হামিদাহর অন্যতম গুণ তাকওয়া। মানুষের নৈতিক জীবনে এর প্রভাব অপরিসীম।

5 views

Related Questions