1 Answers

ধর্মগ্রন্থেই নানা উপাখ্যানের মাধ্যমে মানুষকে সৎ, ন্যায়ের পথে চলার উপদেশ লিপিবদ্ধ থাকে। ধর্মকে ভালোবাসা, সম্মান করা, শ্রদ্ধা করা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলার বিধিবিধান ধর্মীয় গ্রন্থে থাকে। ধর্মগ্রন্থ পাঠ করলে মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি হয়। মানুষের মধ্যে বিবেকবোধ, মানবিকতাবোধ জাগ্রত করতে ধর্মীয় গ্রন্থের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ধর্মীয় গ্রন্থের আদেশ-উপদেশগুলো মেনে চললে সমাজের হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি ইত্যাদি দূর করে শান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করা সম্ভব। মানুষ নৈতিকতার শিক্ষা ধর্মগ্রন্থ থেকে লাভ করে। এ কারণেই  যারা ধর্মগ্রন্থ পাঠ করে তারা সৎপথে, ন্যায়ের পথে চলে। মানবতার শিক্ষালাভ, উন্নত চরিত্র গঠনে ধর্মগ্রন্থের বিকল্প নেই। ধর্মগ্রন্থের নানা উপাখ্যানে সন্নিবেশিত থাকে কীভাবে মানবের কল্যাণে এগিয়ে যেতে হয়, সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হয় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করতে হয়। এ শিক্ষা মানুষ তার নিজ জীবনে কাজে লাগাতে পারে। পরিশেষে বলা হয়, নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতে এবং নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ধর্মগ্রন্থের ভূমিকা অপরিসীম।

4 views

Related Questions