1 Answers
উদ্দীপকে জসিমের উপার্জনের পন্থাটি শরিয়তের পরিভাষায় হালাল। আমাদের জীবনে হালালের প্রভাব ব্যাপক। ইসলামি পরিভাষায় যেসব বিষয়ের বৈধ হওয়া কুরআন-হাদিস দ্বারা পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত, শরিয়তে তাকে হালাল বলা হয়। হালাল কথা, কাজ বা বস্তু সবই হতে পারে। আল্লাহ তায়ালা যেসব কথা বা কাজের অনুমতি দিয়েছেন সেগুলো হালাল কাজ হিসেবে স্বীকৃত। উদ্দীপকে জসিম সাহেব রিকশা চালিয়ে উপার্জন করেন, যা শরিয়তের ভাষার হালাল বা বৈধ। মানবজীবনে হালালের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমাদের জন্য কোনটা উপকারী ও কোনটি অপকারী তা আল্লাহই ভালো জানেন। যেসব দ্রব্য ও বিষয় মানুষের জন্য কল্যাণকর তাই তিনি হালাল করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা বলেন- يَأَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَلًا طَيِّبًا
অর্থ: “হে মানবজাতি! তোমরা পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু আহার কর।” (সূরা আল-বাকারা: ১৬৮) হালাল বস্তু মানুষকে ইবাদতে উৎসাহিত করে। মানুষ অধিক পরিমাণে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করতে পারে। এছাড়াও হালাল ও পবিত্র দ্রব্য মানুষের দেহ ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। অন্তরে নূর সৃষ্টি করে। ফলে মানুষ অন্যায় ও অসচ্চরিত্রকে ঘৃণা করতে থাকে।
তাই বলা যায়, হালাল পন্থায় উপার্জন মানুষের জীবনে ব্যাপক প্রভাব রাখে। মানুষকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যায়।