1 Answers
করিম সাহেবের কর্মকান্ডে আখলাকে হামিদার তাকওয়া গুণটি বিদ্যমান। নৈতিকতার মূলভিত্তি হলো তাকওয়া। তাকওয়া মানুষকে মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিতে উদ্বুদ্ধ করে। হারাম বর্জন করতে এবং হালাল গ্রহণ করতে প্রেরণা যোগায়। মুত্তাকি ব্যক্তি সদাসর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করেন। আল্লাহ তায়ালা সবকিছু দেখেন, শোনেন, জানেন, এ বিশ্বাস পোষণ করেন। ফলে তিনি কোনোরূপ অন্যায় ও অনৈতিক কাজ করতে পারেন না। কোনোরূপ অশ্লীল ও অশালীন কথা, কাজ ও চিন্তাভাবনা করতে পারেন না। কেননা তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, পাপ যত গোপনেই করা হোক না কেন, আল্লাহ তায়ালা তা দেখেন ও জানেন। কোনোভাবেই আল্লাহ তায়ালাকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে তাকওয়াবান ব্যক্তি সকল কাজেই নীতি-নৈতিকতা অবলম্বন করেন। অনৈতিকতা ও অশ্লীলতা পরিহার করেন এবং ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত করেন।
করিম সাহেবের কর্মকাণ্ডে উপরিউক্ত অবস্থায় প্রতিফলন ঘটেছে। তাই তার কর্মকাণ্ডে তাকওয়ার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।