1 Answers

নুমান সাহেবের কর্মে আখলাকে যামিমার সুদের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। কারণ তিনি ঋণ দেওয়া টাকার ওপর অতিরিক্ত টাকা নেবেন। রাসুল (স.) বলেছেন, "যে ঋণ কোনো লাভ নিয়ে আসে তাই সুদ।" (জামি সগির)

মহানবি (স.) বলেছেন, “সোনার বিনিময়ে সোনা, রূপার বিনিময়ে রূপা, যবের বিনিময়ে যব, আটার বিনিময়ে আটা, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর, লবণের বিনিময়ে লবণ, এমনিভাবে সমজাতীয় দ্রব্যের আদান-প্রদানে অতিরিক্ত কিছু হলেই তা হবে সুদ।”

ইসলামে সুদ ও ঘুষকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো অবৈধ কোনো অবস্থাতেই সুদ-ঘুষের লেনদেন বৈধ নয়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরাআনে বলেছেন - وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبوا 

অর্থ: আর আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম। (সূরা আল-বাকারা : ২৭৫)

অন্য আয়াতে এসেছে, হে ইমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। তাহলে তোমরা সফলকাম হতে পারবে। (সূরা আলে-ইমরান: ১৩০)

ঘুষের আদান-প্রদানও হারাম বা অবৈধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা পরস্পরের ধনসম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন-সম্পত্তির কিয়দংশ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে জেনেবুঝে বিচারকদের নিকট পেশ করো না। (সূরা আল-বাকারা: ১৮৮) সুতরাং নুমান সাহেবের উচিত সুদ পরিত্যাগ করা এবং ইসলামের আলোকে জীবন পরিচালনা করা।

4 views

Related Questions