1 Answers
ফুয়াদের চরিত্রে আখলাকে যামিমার প্রতারণার দিকটি বিদ্যমান। কারণ তিনি তার ফার্মেসিতে ন্যায্যমূল্যের সাইনবোর্ড লাগিয়ে অতিরিক্ত মূল্য গ্রহণ করেন এবং অনেক সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও বিক্রি করেন।
প্রতারণা ইসলামের দৃষ্টিতে মানবতাবিরোধী অতি গর্হিত কাজ। প্রতারণা মিথ্যারই শামিল। মিথ্যা যেমন ঘৃণ্য, প্রতারণাও তেমনি ঘৃণ্য। এটি একটি সমাজদ্রোহী পাপ। এ কারণেই মহানবি (স.) প্রতারণা সম্পর্কে উদ্দীপকের হাদিসটির অবতারণা করেছেন।
ইসলাম সুস্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছে, জীবনে যা কিছু করবে তার মধ্যে ফাঁকি ও প্রতারণার স্থান নেই। ইসলাম সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রণকে কোনোমতেই সমর্থন করে না। কুরআন মজিদে ঘোষণা করা হয়েছে-
وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقِّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ
অর্থ: "তোমরা সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রণ করো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন করো না।" (সূরা আল-বাকারা: ৪২) পণ্যের দোষ গোপন করা সম্বন্ধে রাসুল (স.)-এর উক্তি হচ্ছে, “যে ব্যক্তি দোষযুক্ত পণ্য বিক্রি করে এবং ক্রেতাকে দোষের কথা জানায় না, এমন ব্যক্তি সর্বদা আল্লাহর রোষের মধ্যে থাকবে এবং ফেরেশতারা সর্বদা তাকে অভিশাপ দিতে থাকবে।” ফুয়াদ প্রতারণা করে আল্লাহ পাকের অবিরাম ক্রোধ এবং ফেরেশতাদের অবিরাম, লানত কুড়িয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রতারণা দ্বারা অর্জিত জীবিকা হারাম। আর যে দেহ হারাম বুজি দ্বারা পরিপুষ্ট তার স্থান জাহান্নামে।
তাই ফুয়াদের উচিত প্রতারণামূলক ব্যবসায় পরিহার করা এবং সততার সাথে, বিশ্বস্ততার সাথে ব্যবসায় পরিচালনা করা।