1 Answers

"উদ্দীপকের মিসেস ইয়াসমিন শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যকে ধারণ করতে পেয়েছেন।"- 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

শিক্ষার দুটি দিক রয়েছে। একটি প্রয়োজনের, অন্যটি অপ্রয়োজনের। এগুলোর মধ্যে অপ্রয়োজনের দিকটিই শ্রেষ্ঠ। কারণ এ দিকটি শেখায় মনুষ্যত্বের অধিকারী হতে, অর্থচিন্তার নিগড় থেকে মানুষকে মুক্ত করতে। এ দিকটিই শিক্ষার প্রকৃত দিক।

উদ্দীপকের মিসেস ইয়াসমিন শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকের সঙ্গে জড়িত। তার মধ্যে জীবসত্তার দিকটি প্রকট হয়ে ওঠেনি। তিনি মানবসত্তার বিকশিত মানুষ। তিনি অর্থসাধনাকে জীবনসাধনা মনে করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষ করে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষা দান করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। তার মধ্যে শিক্ষা সোনা ফলাতে পেরেছে। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক এটাই প্রত্যাশা করেছেন, এখানে একথাই বলা হয়েছে। শিক্ষার আসল কাজ মূল্যবোধ সৃষ্টি। মিসেস ইয়াসমিনের মধ্যে তা পরিলক্ষিত হয়েছে।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন- জীবসত্তার প্রয়োজন অন্ন-বস্ত্রের চিন্তা থেকে মুক্তি এবং শিক্ষা লাভের মাধ্যমে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটানো। অন্যদিকে উদ্দীপকের মিসেস ইয়াসমিনের মধ্যে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটেছে। তিনি শিক্ষার্থীকে মনুষ্যত্বের স্বাদ পাওয়ার পথ তৈরি করতে নৈতিক শিক্ষা দান করেছেন। এদিক থেকে বলা যায়, তিনি শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যকে ধারণ করতে পেরেছেন।

6 views

Related Questions