1 Answers

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের আলোকে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটি জাগ্রত করা শহিদ সাহেবের মতো ব্যক্তিদের করুণ পরিণতি থেকে উত্তরণের উপায়। 

অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করে এই শ্রেণির মানুষের সংখ্যাই সমাজে বেশি। অর্থ উপার্জনের জন্য কেউ কেউ নীতি-নৈতিকতাও বিসর্জন দেয়। এই ধরনের মানুষকে অর্থচিন্তার বেড়াজাল থেকে উদ্ধার করতে হলে প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হবে।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে শিক্ষার দুটি দিকের কথা বলা হয়েছে। ক্ষুৎপিপাসা ও জৈবিক চাহিদা মেটানো শিক্ষার একটি কাজ, এটিকে প্রয়োজনের দিক বলে। অন্যটি শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিক। এই দিক মানুষকে মানবিক করে তোলে। তাকে মনুষ্যত্বলোকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। উদ্দীপকের শহিদ সাহেবের মধ্যে এই দিকটি অনুপস্থিত। তিনি লোভী এবং অর্থসাধনাই তার জীবনসাধনা। তাই দুর্নীতি করে তিনি অঢেল সম্পদের মালিক হন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের হাতে ধরা পড়েন। তার মধ্যে শিক্ষা মনুষ্যত্ববোধ জাগাতে পারেনি। বিলাসী জীবন এবং লোভ-লালসা থেকে মুক্ত থাকতে হলে তাকে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটির চর্চা করতে হবে।

'শিক্ষা-মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের লেখকের মতে মানবসত্তা মানুষকে মানবীয় করে তোলে, মানুষকে নির্লোভ করে উন্নত মানসিকতার অধিকারী করে। শিক্ষার অপ্রোয়জনীয় দিক মানুষকে এগুলো করতে সহায়তা করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের শহিদ সাহেবের মতো ব্যক্তিদের করুণ পরিণতি থেকে উত্তরণের উপায় শিক্ষার অপ্রয়োজনীয় দিকটি জাগ্রত করা।

5 views

Related Questions