1 Answers
আরিফ ও রফিকের বোধগম্য হওয়া সর্বশেষ বিষয়টি হলো- "হালাল খাদ্য ও হালাল উপার্জন ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত।"
হালাল খাদ্য ও উপার্জনে মানুষের কল্যাণ নিহিত। পক্ষান্তরে, হারাম খাদ্য ও উপার্জনে রয়েছে অকল্যাণ। ইসলাম এসব খাদ্য হারাম হিসেবে চিহ্নিত করেছে যা সুস্থ মস্তিষ্কে বিকৃতি ঘটায়, উন্মাদনা সৃষ্টি করে এবং মানুষের স্মৃতিশক্তি লোপ করে দেয়। যেমন- মদ, হেরোইন, আফিম, গাঁজা ইত্যাদি। এসব বস্তু মানুষের দেহের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে, সামাজিক পরিবেশ বিনষ্ট করে। এছাড়া হারাম খাদ্য খেলে মন্দ অভ্যাস ও অসচ্চরিত্রতা সৃষ্টি হয়, ইবাদতে আগ্রহ থাকে না এবং দোয়া কবুল হয় না।
ন্যায়নীতিহীন ও মানবতাবিরোধী এবং মানুষের জন্য ক্ষতিকর গস্থায় আয়-উপার্জনকে হারাম উপার্জন বলে। প্রতারণা, ছল- চাতুরি, দ্রব্যে ভেজাল দেওয়া, ওজনে কমবেশি করা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ, ঘুষ এসবই হারাম।
আল্লাহ পাক বলেন, “হে মানব সম্প্রদায়, দুনিয়ায় যা কিছু আছে তা থেকে হালাল পবিত্র বস্তু গ্রহণ কর, আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” হারাম উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে তার ইবাদত কবুল হয় না। মহানবি (স.) বলেছেন, "হারাম খাদ্যে পরিপুষ্ট যে মাংস, নরকাগ্নিই তার উত্তম স্থান।"
পরিশেষে বলা যায়, আল্লাহ পাক মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য আর অন্য সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। আল্লাহর ইবাদত করার জন্য হারাম খাদ্য ও উপার্জন অন্তরায়। অতএব, অবশ্যই এসব পরিত্যাজ্য।