1 Answers
উদ্দীপকে ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস ইজমার কথা বলা হয়েছে। মানবসমাজ গতিশীল। ইসলামি সমাজও এ ধারার ব্যতিক্রম নয়। মহানবির (স.) সময় হতে এবং পরবর্তীতে মুসলিম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ও ইসলামের প্রসারের সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে মুসলিম সমাজ এমন কতকগুলো নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়, যার সুস্পষ্ট নির্দেশ কুরআন ও হাদিসে পাওয়া যেত না। অথচ কুরআনে আল্লাহ মানুষের জন্য সবকিছু বর্ণনা করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, "আমি কুরআনে কোনোকিছু বাদ রাখি নি।"
কিন্তু মানবজ্ঞান সসীম। তাই তাদের সীমিত জ্ঞান-গবেষণায় কুরআন থেকে যাবতীয় সমস্যার সমাধান আহরণ করতে সক্ষম হয় নি। সুতরাং সাহাবিদের যুগ হতেই কুরআন-হাদিস থেকে না পাওয়া বিষয় ইজমারু দ্বারা (মুসলিম পণ্ডিতগণের সম্মিলিত অভিমত) সমাধান করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আধুনিক সমাজ তৎকালীন সমাজ থেকে অনেক দূর এগিয়েছে। এ গতিশীল সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান উদ্ধৃত অংশে উল্লিখিত পদ্ধতি বা ইজমা দ্বারা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কাজেই ইলমে শরিয়তের উৎস হিসেবে আমাদের ব্যবহারিক জীবনে ইজমার প্রভাব অপরিসীম।