1 Answers

(ii) নং উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের মূলভাব অভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যারা নিঃস্বার্থভাবে শুধু মানুষের সেবা করে যায়। এসব মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থাকে অবহেলিত ও নিগৃহীত। অথচ সত্যিকার অর্থে এরা অনেক ভালোবাসা ও যত্ন পাওয়ার যোগ্য।

উদ্দীপক (ii)-এ জীবনের বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে। মানুষের জীবন মহাকালের ধরাবাঁধা নিয়মের বাইরে। সেখানে কোনো বাণী শোনার পরিস্থিতি নেই। শুধু জীবনের যে কাঠামোবদ্ধ বিচরণ আছে তার মাঝেই যেন আমরা সবাই আটকে আছি। প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন একইভাবে আবর্তিত হচ্ছে। উদ্দীপকে মানুষের জীবনের এই ধরাবাঁধা নিয়মের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'নিমগাছ' গল্পে প্রতীকী অর্থে একজন নারীর জীবন তুলে ধরা হয়েছে। এখানে সংসারের ধরাবাঁধা নিয়মে একজন নারীর জীবন এমনভাবে বন্দি যে সে চাইলেই তার ইচ্ছেমতো জীবনকে গুছিয়ে নিতে পারে না, নিজের মতো থাকতে পারে না। তাকে সংসারের নিয়মের মাঝে আটকে থাকতে হয়। নিজের নিঃস্বার্থ ত্যাগ দিয়েও জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারে না।

(ii) নং উদ্দীপকে সমাজের নির্ধারিত নিয়মের বাইরে যেতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ পেয়েছে। 'নিমগাছ' গল্পেও নিমগাছের অবস্থার মধ্য দিয়ে সমাজে একজন নারীর নির্ধারিত ও কাঠামোবদ্ধ জীবনের কথা বলা হয়েছে। তাই বলা যায়, (ii) নং উদ্দীপক এবং 'নিমগাছ' গল্পের মূলভাব অভিন্ন।

5 views

Related Questions