1 Answers

"উদ্দীপকের প্রতিফলিত গুণটি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর পরিপূর্ণ গুণের অংশবিশেষ।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

জগতে যাঁরা মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন, তাঁরা একদিকে সত্যের সাধক অন্যদিকে উদার ও ক্ষমাশীল হয়ে থাকেন। তাঁরা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে আহ্বান করেন। জগতের সমস্ত মন্দ কাজ থেকে, অকল্যাণ ও অশুভ থেকে মানুষকে বিরত করেন। তাঁরা ক্ষমা, মহত্ত্ব, প্রেম, দয়া ইত্যাদি মানবীয় গুণের অধিকারী হন।

উদ্দীপকে ইমাম হাসান (রা.)-এর মধ্যে ক্ষমাশীলতার দিকটি ফুটে উঠেছে। তিনি তাঁর বিষদানকারী স্ত্রী জায়েদাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এই দিকটি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর ক্ষমাশীলতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই দিকটি ছাড়া 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে বর্ণিত মহানবি (স.)-এর অন্যান্য গুণ এখানে তেমনভাবে প্রকাশ পায়নি। ক্ষমা মহানবি (স.)-এর মানবীয় গুণাবলির মধ্যে অন্যতম। ক্ষমাশীলতা ছাড়াও তিনি সত্যবাদী, ধৈর্যশীল, পরোপকারী, আর্তের সেবাদানকারী, অন্যের আমানত রক্ষাকারী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর এসব মহৎ গুণের পরিচয় উদ্দীপকে নেই। মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্যে থেকে তিনি মানবীয় গুণাবলি দ্বারা দুর্লভ হয়েছিলেন। তাঁর মানবপ্রেম, সত্যনিষ্ঠা ও দয়ার দিকটিও উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।

'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবিক গুণাবলির যে প্রকাশ ঘটেছে, তা উদ্দীপকে ঘটেনি। সেখানে 'ক্ষমাশীলতার' দিকটি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মহানবি (স.)-এর অন্যান্য মানবীয় গুণ সেখানে অনুপস্থিত বলে আমরা বলতে পারি যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions