1 Answers
রাশেদার মা রাশেদার শারীরিক অবস্থাকে গর্ভকালীন জটিলতা বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, "গর্ভকালীন জটিলতা এড়াতে পারলে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা যায়।"
গর্ভকালীন সময় নানাদিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা না হলে রোগ সংক্রমণ, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি মা ও শিশু উভয়েরই জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
প্রসবকালীন সময়ে জটিলতা সম্পর্কে জানা আবশ্যক, যা নিরাপদ মাতৃত্বকে প্রভাবিত করে। ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রসব বেদনা ও প্রসবকাল স্থায়ী হলে মা ও শিশু উভয়েই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই প্রসবের বিভিন্ন ধাপে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রসবকালে তাপমাত্রা বাড়লে, রক্ত ও পানির ক্ষরণ অব্যাহত থাকলে, রক্তচাপ কমে বা বেড়ে গেলে, নাড়ির গতি বেড়ে গেলে, মায়ের খিচুনি হলে, অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি চিকিৎসার প্রয়োজন। প্রসবকালে শিশুর হৃৎপিন্ডের গতি ও শিশুর অবস্থানের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত। গর্ভফুল এবং অন্যান্য পদার্থের সুষ্ঠু বর্জন, যাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ না হয় তা লক্ষ করা প্রয়োজন। ডাক্তার, নার্স, ধাত্রী, যিনিই প্রসবকালীন সময়ে মাকে পরিচর্যা করেন, তাকে অবশ্যই কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা পালন করতে হবে। প্রসব নিরাপদ ও জটিলতামুক্ত করতে হলে তিনটি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। এগুলো হচ্ছে- ১. Support, ২. Guide ও ৩. Guard. প্রসূতি মাকে ভরসা ও. সাহস দিতে হবে। বিশেষ অবস্থায় জরুরি ব্যবস্থা নিতে হতে পারে।
উপরিউক্ত বিষয়গুলো জানা থাকলে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা যায়। অতএব, রাশেদার মায়ের উক্তিটি যথাযথ।