1 Answers
মিসেস রাশেদার গৃহীত সিদ্ধান্তটি হচ্ছে পরিকল্পিত পরিবার গঠন। পরিকল্পিত উপায়ে পরিবার গঠন করাকেই পরিকল্পিত পরিবার বলে। এই পরিবার গঠিত হয় বিবাহ, রক্তের সম্পর্ক ও পালিত বন্ধনের মাধ্যমে।
পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে যেমন পরিবারের পক্ষে সংসার পরিচালনা কঠিন হয়ে যায় তেমনি রাষ্ট্রের পক্ষেও অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ সামলানো কষ্টকর হয়ে যায়। স্বল্প সদস্য সংখ্যা হওয়ায় পরিবারে আর্থিক সমস্যা ও মতানৈক্য কম হবে। তখন পরস্পরের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন থাকবে।
পরিকল্পিত পরিবারের মাধ্যমে মিসেস রাশেদা তাদের আয়ে সংসারে সুখ- স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত ও জীবনযাপনের মান উন্নত করতে পারবে। সদস্য সংখ্যা কম হওয়াতে পরিবারে অর্থনৈতিক সংকট কম হবে ও দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব হবে। তারা সীমিত আয়ের দ্বারাই পরিবারের সদস্যদের পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করতে পারবে। পুষ্টিকর খাদ্য পরিবারের সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে অর্থনৈতিক সমস্যা বেশি হয় এবং সদস্যরা বিভিন্ন রকম অপরাধ কর্মে লিপ্ত হয়। পরিকল্পিত পরিবারে সদস্যরা মা-বাবার সান্নিধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে বেড়ে ওঠার কারণে অপরাধ প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় না। সুতরাং মিসেস রাশেদা তার গৃহীত সিদ্ধান্তের ফলে উল্লিখিত সুবিধাগুলো পাবেন।