1 Answers
স্বপন পরবর্তীতে অংশীদারি ব্যবসায় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অত্যন্ত যৌক্তিক।
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পারস্পরিক চুক্তির ভিত্তিতে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে যে ব্যবসায় গঠন করে, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে। এ ধরনের ব্যবসায়ে অংশীদারগণ নিজেরাই চুক্তির শর্ত অনুসারে মূলধন সরবরাহ করে থাকে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, স্বপন তার বন্ধুর আর্থিক সহযোগিতায় আসবাবপত্রের দোকান দিয়ে ব্যবসায় করে আসছে। ইতোমধ্যে তার ব্যবসায়ের সুনাম অর্জন করায় শহরের ব্যবসায়ীরাও আসবাবপত্রের ফরমায়েশ দিচ্ছে। তাই ব্যবসায় বাড়াতে আরও অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তার বন্ধুর সাথে সমঝোতা করে অংশীদারি ব্যবসায় করার সিদ্ধান্ত নিল। উদ্দীপকের ব্যবসায় সম্প্রসারণ হওয়ায় তার একার পক্ষে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ছিল না। তার বন্ধুকে অংশীদার করায় এখন বন্ধুও দোকানে বসে, পরামর্শ দেয় এবং যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। এতে তাদের ব্যবসায় ভালোই চলছে।
সুতরাং বলা যায়, স্বপনের পরবর্তীতে গৃহীত সিদ্ধান্তটি যথেষ্ট যৌক্তিক ছিল।