1 Answers
যশোরের গদখালীর সবুজ মিয়া পেশা হিসেবে ফুল চাষকে বেছে নিয়েছেন। বর্তমান যুগে ফুলের প্রয়োজনীয়তা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বুঝেই তিনি ফুল চাষে আগ্রহী হয়েছেন। ফুল চাষ বিভিন্ন গুরুত্ব বহন করে, যেমন-
i. বাংলাদেশের আবহাওয়া ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
ii. ফুল ছাড়াও ফুলের চারা ও ফুলের গাছ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা যায়।
iii. ঘর সাজানো, বিবাহ, জন্মদিন, ধর্মীয় উৎসব ইত্যাদি কাজে ফুলের চাহিদা ব্যাপক। দেশের বিভিন্ন জাতীয় উৎসব যেমন- পহেলা বৈশাখ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বিজয় দিবসে ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের ভেতরে ফুলের বিক্রি অনেক বেড়েছে।
iv. দিনে দিনে বিদেশেও ফুলের রপ্তানি বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫-৭ প্রকারের ফুল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
v. ফুলের নির্যাস থেকে প্রাচীনকাল থেকেই অনেক ঔষধ তৈরি হয়, যার ফলে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোতে এর চাহিদা বেড়েই চলেছে।
vi. ফুল নানা ধরনের সুগন্ধি তৈরির প্রধান উপাদান। দেশে- বিদেশে এর চাহিদা অনেক। ফলে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
vii. ফুলে রোগ ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম, পরিচর্যা কম লাগে। ফলে উৎপাদন খরচ এবং ব্যবসায় ঝুঁকি কম থাকে।
ফুলের ব্যবহার দিন দিন আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফুল বিক্রি করে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়া যায়। তাছাড়া এ ব্যবসায় অন্য ফসলের তুলনায় ক্ষতির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম বলেই সবুজ মিয়া ফুল চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।