1 Answers
'সুস্থ শিশু জন্মদানে মায়ের পরিপকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ'- উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
একজন সুস্থ মা-ই পারেন একজন সুস্থ শিশু জন্ম দিতে। এজন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন পরিণত বয়সে গর্ভধারণ। অপরিণত্ব বয়স বা ২০ বছরের নিচে সন্তান ধারণ করলে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন- অপরিণত মায়ের দেহ ভূগকে পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে পারে না।
অপরিণত বয়সে গর্ভে সন্তান এলে সন্তানের বেড়ে ওঠার মতো গর্ভে পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। এতে অপরিণত ও কম ওজনের শিশু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি শিশু প্রতিবন্ধী হয়েও জন্মাতে পারে। কম বয়সী মায়েদের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া, সন্তান পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে তারা শারীরিক জটিলতার পাশাপাশি মানসিক জটিলতায় ভোগে। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ মাকে যেমন ঝুঁকির সম্মুখীন করে তোলে, তেমনি শিশুটির জীবনও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অপরদিকে, পরিপক্ক মায়ের গর্ভে সন্তান বেড়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে। ফলে শিশুর বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয় এবং ভুণ নির্ধারিত সময়ে জন্মগ্রহণ করে। এছাড়া শিশুর পুষ্টি তার মায়ের পুষ্টির ওপর নির্ভর করে। তাই মা যদি পরিপক্ক হয় অর্থাৎ শারীরিকভাবে সক্ষম এবং গর্ভাবস্থায় করণীয় সম্পর্কে সচেতন থাকেন তাহলে প্রসবকালীন জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায় ও সুস্থ শিশুই জন্ম' হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
তাই বলা যায়, সুস্থ শিশু জন্মদানের জন্য মায়ের পরিপক্কতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।