1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত সবুজের বাবার উক্তিটি হচ্ছে- 'তোমার বিবেককে জাগ্রত করো তাহলে ন্যায়-অন্যায় বুঝতে পারবে।' তার উক্তিটির সাথে আমি একমত।

নৈতিকতার চালিকাশক্তি হচ্ছে বিবেক। এই বিবেক মানুষের ভেতর থেকে জাগ্রত হয়। যেমন- অন্যকে সাহায্য করা, অন্যের সুবিধা- অসুবিধা লক্ষ করা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা, স্নেহ-ভালোবাসা ইত্যাদি। উদ্দীপকে ১৭ বছরের তরুণ সবুজ পরিবারের সবার সাথে খাপ খাওয়াতে পারছে না। কারো কাথাই সে শোনে না। পড়াশোনায় মনোযোগ নেই। বাবা-মাকে এড়িয়ে চলে। বেশিরভাগ সময়ই বাইরে কাটায়। তার এ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তার বাবা তাকে বিবেককে জাগ্রত করতে বলেন। এই বিবেকই তাকে ন্যায়-অন্যায় বুঝতে সাহায্য করবে। কারণ নৈতিকতার বিকাশ সম্পর্কে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যেকোনো বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে বিবেকের উন্মেষ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। বিবেক হচ্ছে এমন একটি মানসিক ক্ষমতা যা বাইরের নিয়ন্ত্রণমুক্ত। সবুজ যদি তার ভেতরের বিবেককে জাগ্রত করতে পারে তাহলে সেই তার আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। সে যে স্বাভাবিক আচরণ করছে তা সে বুঝতে পারবে। সবুজ যদি তার অন্যায় কাজের জন্য অনুশোচনা করতে শেখে তাহলে সে আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। বিবেকবোধ তাকে নৈতিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত করে তুলবে। এর ফলে সে আদর্শ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে পারবে। কোনো প্রকার অন্যায় কাজ করবে না।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বিবেক বোধই মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে দূরে রেখে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

4 views

Related Questions