1 Answers

অফিসের গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে সাকিবের বাবা বলেন, "এটি (অফিসের গাড়ি) রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং জনগণের আমানত। এটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা ঠিক নয়।" সরকারি চাকরিজীবী সাকিবের বাবার এ উক্তিটি যথাযথ এবং প্রশংসনীয়। কারণ তিনি কুরআন ও হাদিসের প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করেই এ উক্তিটি করেছেন।

আমরা জানি, আমানতের ক্ষেত্র অতি ব্যাপক। কোনো সরকারি চাকরিজীবীর নিকট তার অফিসের গাড়ি এর বাইরে নয়। এটি যেমন রাষ্ট্রীয় সম্পদ, তেমনি জনগণের আমানত। এ আমানত রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা কর্তৃপক্ষের। পক্ষান্তরে, কেউ যদি তা খিয়ানত করে তবে সে যেমন সমাজ কর্তৃক ঘৃণিত হবে, তেমনি পরকালে তাকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, মাহমুদের বাবার দ্বারা আমানত রক্ষা হয়নি। পক্ষান্তরে, সাকিবের বাবা একজন আমানতদার হিসেবে বিবেচিত।

আমানত রক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ পাক বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা যেন আমানতসমূহ তার মালিককে (যথাযথভাবে) ফেরত দাও।" (সূরা আন্-নিসা: ৫৮) মহানবি (স.) বলেন, "যার মধ্যে আমানতদারি নেই, তার ইমান নেই।” সার্বিক বিষয় বিবেচনায় সাকিবের বাবার কর্মকান্ড ও তার বক্তব্য কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে যথার্থ এবং প্রশংসনীয়।

পরিশেষে বলা যায়, প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কিছু না কিছু দায়িত্ব রয়েছে। এসব দায়িত্ব আমানতের অন্তর্ভুক্ত। যেমন- উদ্দীপকে বর্ণিত মাহমুদ ও সাকিবের বাবার অফিসের গাড়ি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, যা জনগণের আমানত। অতএব, সাকিবের বাবার উক্তি সঠিক এবং কুরআন ও হাদিস সমর্থিত।

5 views

Related Questions