1 Answers

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি হলো জিহাদ। আল্লাহর দীনকে সমুন্নত রাখার জন্য জিহাদ অপরিহার্য। কুরআনে বলা হয়েছে- "ইমানদারগণ আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে আর কাফিররা যুদ্ধ করে শয়তানের পথে।"

শয়তান মানবজাতির চির দুশমন। সে সর্বদা মানুষকে কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকে। এ কুমন্ত্রণা ও মানবীয় কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ না করলে নিজেকে ইসলামের ছায়াতলে রাখা দুরূহ হয়ে পড়ে। এ জিহাদকে বলা হয়েছে 'জিহাদে আকবর' বা শ্রেষ্ঠ জিহাদ। পৃথিবীর মালিক একমাত্র আল্লাহ। এখানে আইন চলবে তাঁর। মানব রচিত কোনো মতবাদ পৃথিবীর কোনো ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠিত হলে তাতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হয়। তাই সে মহাপরাক্রমশালীর নিরঙ্কুশ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের কী হয়েছে? কেন তোমরা নির্যাতিত ও অসহায়দের মুক্তির জন্য আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম, করছ না।” অতএব মানুষের দাম্ভিকতা, শোষণ, জুলুম থেকে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীকে উদ্ধারের জন্য জিহাদ অপরিহার্য কর্তব্য। কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন, যারা তাঁর রাস্তায় শীষাঢালা প্রাচীরের ন্যায় সংঘবদ্ধ হয়ে লড়াই করে।” সুতরাং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য জিহাদে শামিল থাকা একান্ত আবশ্যক।

পরিশেষে বলা যায়, জিহাদের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। আমাদের সকলের জিহাদে শরীক হওয়া উচিত। তাহলেই ফিরে পাব আমাদের অধিকার। প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার। সকলেই ন্যায় প্রতিষ্ঠার অনুসারী হবে। সকলেই সকলের প্রতি দায়িত্ববান হলে জীবনের নিরাপত্তা হবে নিশ্চিত।

4 views

Related Questions