1 Answers
উদ্দীপকের সজীব বলল, "কুরআন তিলাওয়াত হলো উত্তম ইবাদত।" আমরা জানি, কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত অনেক। কুরআনের অর্থ অনুধাবন করে এর উপস্থাপিত বিষয় নিয়ে চিন্তা ও গবেষণা করলে এবং সেই অনুযায়ী আমল করলে তা হবে সর্বোত্তম, ইবাদত।
মহান আল্লাহ বলেন-
وَرَتِلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا
অর্থ : আপনি কুরআন আবৃত্তি করুন ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে। (সূরা আল-মুয্যাম্মিল: ৪)
অন্যত্র সুন্দর সুরে কুরআন তিলাওয়াত প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন - لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَّمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ
অর্থ: যে ব্যক্তি সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। অর্থাৎ সে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (স.)-এর নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। (বুখারি)
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) আরও বলেন, "তোমাদের মধ্যে সেই এ ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কুরআন শেখে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়।” তিনি আরও বলেন, “যে ঘরে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় আসমানবাসিগণের নিকট সে ঘরটি এমন উজ্জ্বল দেখায় যেমনি জমিনবাসীদের নিকট নক্ষত্ররাজি উজ্জ্বল দেখায়।" রাসুল (স.) ধলেছেন, "আমার উম্মতের সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে কুরআন পাঠ।” (বায়হাকি)। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বয়ং মধুর কণ্ঠের তিলাওয়াত শ্রবণ করেন। ইবাদতের দিক থেকে কুরআন তিলাওয়াত অনেক ফযীলতপূর্ণ। নবি কারিম (স.) বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ তিলাওয়াত করে সে নেকি পেল। আর এ নেকির পরিমাণ হলো দশ গুণ।” (তিরমিজী) অন্যত্র নবি (স.) বলেছেন, 'বুঝেশুনে একঘণ্টা কুরআন অধ্যয়ন করা সারারাত ইবাদত করার সমান।' তাই বলা যায়, নফল ইবাদতের মধ্যে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত হলো উত্তম ইবাদত।