1 Answers
'সঠিক পুষ্টি পেতে রান্নার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত' আসমার এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।
খাদ্য প্রস্তুতের সময় সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে খাদ্যের পুষ্টিগুণ অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
খাদ্যশস্য মূলত চাল রান্নার আগে বেশি ধুলে পানির সাথে ভিটামিন বের হয়ে যায়। একারণে চাল পরিমাণমতো পানি দিয়ে ধুতে হবে। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্যে শ্বেতসার ছাড়াও কিছু কিছু ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাওয়া যায়। এরা অতি সহজেই পানিতে গলে যায়। এজন্য ভাত রান্না করার পর এ মাড় কিছুতেই ফেলে দেয়া উচিত নয়। মাড় ফেলে দিলে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য উপাদানেরও অপচয় হয়। মাংস মাঝারি উত্তাপে ধীরে ধীরে সিদ্ধ করে রান্না করতে হয়। অত্যধিক উত্তাপে মাংসের প্রোটিন অত্যন্ত কঠিন ও সংকুচিত হয়। যা মাংসের প্রোটিনের গুণ নষ্ট করে এবং হজমে ব্যাঘাত ঘটে। মাংস রান্নার সময় অত্যধিক তেল মসলা ব্যবহার করা উচিত নয়। রান্নার সময় অবশ্যই ঢাকনা ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে অক্সিজেনের সংস্পর্শে গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে। মাংস রান্নার সময় টুকরাগুলো যতদূর সম্ভব একটু বড় রাখা ভালো। এতে পুষ্টি উপাদানের অপচয় কম হবে। মাছের তত্ত্বসমূহ নরম বলে মাংসের চেয়ে কম তাপে এবং অল্প সময়ে রান্না করতে হয়। ভাজা মাছ থেকে রান্না মাছে পুষ্টিমূল্য বেশি থাকে। মাছ ডুবো তেলে ভাজতে হবে। এতে মাছের পুষ্টিমূল্য কম অপচয় হবে।
রান্নার সময় উপরিউক্ত পদ্ধতিসমূহ সঠিকভাবে মেনে চললে "খাদ্যের পুষ্টিমূল্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।