1 Answers
উদ্দীপকে স্যার যে শেষোক্ত উক্তিটি করেছেন তা হলো “এসব পদ্ধতি অনুশীলনের মাধ্যমে জানা যায়।" এসব পদ্ধতি বলতে মূলত আরোহ যুক্তিবিদ্যায় কারণ আবিষ্কার ও প্রমাণের পদ্ধতি। পদ্ধতিগুলো হলো অন্বয়ী পদ্ধতি, ব্যতিরেকী পদ্ধতি, যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতি, সহপরিবর্তন পদ্ধতি, পরিশেষ পদ্ধতি ইত্যাদি। আরোহ অনুসন্ধানের সময় কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তিবিদ মিল ও বেইন এর মতে, ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য আমরা এ পদ্ধতিগুলোর সাহায্যে আমাদের নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ থেকে অপ্রয়োজনীয় ঘটনাবলি বাদ দিতে অপনয়ন করতে সক্ষম, হই। তাই তারা পরীক্ষণমূলক পদ্ধতিগুলোকে অপনয়ন পদ্ধতি বলে অভিহিত করেছেন। পদ্ধতিগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে ঘটনাবলির মধ্যে। কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করা। তাই যুক্তিবিদ মিল এর মতে, এ পদ্ধতিগুলো অভিজ্ঞতাভিত্তিক। অর্থাৎ যত বেশি অনুশীলন করা সম্ভব, অভিজ্ঞতা তত বেশি বাড়বে। তাই উদ্দীপকের স্যার যে উক্তিটি শেষে করেছেন তা যথার্থ।