1 Answers

শিক্ষক মহোদয়ের শেষোক্ত উক্তিটি হলো, জাতি উপজাতির আলোচনা বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। বস্তুত, কোনো শ্রেণিকে জাতি বলার অর্থ হলো তা অন্য কোনো উপজাতির তুলনায় জাতি। আবার কোনো শ্রেণিকে উপজাতি বলার অর্থ হলো তা অন্য কোনো জাতির তুলনায় উপজাতি। একই শ্রেণিবাচক পদ একসময় জাতি এবং অপর সময় উপজাতি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ 'মানুষ' পদটি স্বতন্ত্রভাবে জাতিও নয়, উপজাতিও নয়। কিন্তু 'মানুষ' পদটিকে যখন এর থেকে কম ব্যাপক 'ছাত্র' পদটির সাথে তুলনা করা হয় তখন এটি একটি জাতি। আবার 'মানুষ' পদটিকে যখন এর থেকে বেশি ব্যাপক 'জীব' পদটির সাথে তুলনা করা হয় তখন এটি একটি উপজাতি। আরও একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, ব্যক্ত্যর্থের দিক দিয়ে জাতি উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু জাত্যর্থের দিক দিয়ে উপজাতি জাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে। জীব ও মানুষ পদ দুটির মধ্যে জীব পদটি 'মানুষ' পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু জাত্যর্থের দিক দিয়ে জীব পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি এবং মানুষ পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। এদিক থেকে মানুষ পদটি জীব পদকে অন্তর্ভুক্ত করে।

জাতি ও উপজাতির উক্ত আলোচনার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণার অনেক কিছু খুঁজে পান। বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য কোনো ক্ষুদ্রতর নিয়মকে বৃহত্তর নিয়মের অধীনে এনে ব্যাখ্যা করা জরুরি। একইভাবে কোনো বৃহত্তর নিয়ম থেকে কোনো ক্ষুদ্রতর নিয়মকে আলাদা করাও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য জাতি উপজাতির আলোচনা বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

4 views

Related Questions