1 Answers

অ্যারিস্টটল চার ধরনের বিধেয়কের কথা বললেও পরফিরি পাঁচ প্রকার বিধেয়কের কথা বলেছেন। মুলত এটিই সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য প্রকারভেদ।

উদ্দীপকের শিক্ষক মহোদয়ের বক্তব্য পুরোপুরি পরফিরির মতবাদের সাথে মিলে যায়। পরফিরির পূর্ব পর্যন্ত অ্যারিস্টটল বিধেয়কের যে শ্রেণিটি দিয়েছিলেন তাই প্রতিষ্ঠিত ছিল। পরে পরফিরি এই চার প্রকারের সাথে আরেকটি প্রকার যোগ করেন তা হলো লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ এবং সংজ্ঞার স্থলে উপজাতি পরিবর্তিত করেন। অ্যারিস্টটল যে চারটি শ্রেণির কথা বলেছিলেন তা হলো- ১. সংজ্ঞা, ২. জাতি, ৩. উপলক্ষণ, ৪. অবান্তর লক্ষণ। এই চার প্রকারের সাথে পরফিরি অতিরিক্ত 'লক্ষণ' বা 'বিভেদক লক্ষণ' গুণটি যুক্ত করেন এবং 'সংজ্ঞা'র স্থলে উপজাতি অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি যে পাঁচ প্রকার বিধেয়কের কথা বলেন তা হলো-১. জাতি, ২. উপজাতি, ৩. লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ, ৪. উপলক্ষণ, ৫. অবান্তর লক্ষণ।

4 views

Related Questions